Thursday, December 22, 2016

ফ্রিডা!

ফ্রিডা...

ঠিক কেমন ছিল এক শরীর ব্যাথা নিয়ে বাঁচতে থাকা একটা গোটা জীবন?
ব্যথায় বন্দী জীবনের ফাঁক দিয়ে ব্যথার গা বেয়ে গজিয়ে ওঠা আশার রঙ?

ঠিক কেমন ছিল জীবন তোর?
জীবন? নাকি আরও অনেক বেশী?

Sunday, January 3, 2016

সময় নষ্ট – নষ্ট সময়

সংসার – ১
-     মন জানব... মন ছুঁয়ে দেখব... মন ভালবাসব... !!! কিসের মন! কার মন? সময়-নষ্ট-কথা ! কবিতাপনা... ভাবনা নিয়ে ঘ্যানর ঘ্যানর... দীন-দুনিয়ার পঁচিশ-কথার কথকতা! কাল সকালে অফিস আছে, শরীর আছে, রাস্তা ভরা জ্যাম কাটিয়ে সমস্ত দিন কাটানো আছে!

-     ... আমি ভাবছিলাম... যাহ্‌! আবার ভাবার কথা! ঘুমোতে যাও। খামোখা তোমার সময় খেলাম।

-     হুঁ... গুডনাইট
সংসার – ২
-     হ্যালো... হ্যালো...
-     হ্যাঁ... শুনতে পাচ্ছিবল
-     বললাম যে অনুর জন্য ওষুধ কিনতে ভুলো না।
-     হ্যাঁ, কিনছি। তুমি কি কর?
-     এই তো ফিরছি। সী ইউ সুনলভ ইউ।
-     লভ ইউ। J
সংসার – ৩
-     এই ওঠো, খেয়ে নাও তাড়াতাড়ি। ওষুধ খেতে হবে। দেরি হয়ে যাচ্ছে। মুনাইকে স্কুল থেকে আনতে যেতে হবে আমার।
-     হ্যাঁ, দাও।






কোন এক বিরাগী সময়ে...

এক এক করে একের পথে পা বাড়ানো। ন্যাকামি আর ধান্দাবাজী প্রেম ছাড়িয়ে একে একে তোমরা সবাই প্রেম খুঁজে পাও। খুঁজে পাওয়ার ভানেই থাকো। প্রেমকে আমি জীবন থেকে বাদ দিয়েছি। মিথ্যে প্রেমের জাল মাড়ানো খুব করেছি। মিথ্যে কান্না, মিথ্যে হাসি, মিথ্যে বলা ভালবাসি। কথায় কথায় কথা দেওয়া, চোখ ফেরাতেই কথার ফেরা ঢের দেখেছি। বিপ্লবি প্রেম কেমন কেবল সুন্দরিদের কোমর ঘিরে জড়িয়ে থাকে। সুন্দরিরা আঁতেল ধরে ঘুরিয়ে থাকে। দেখব যবে নিজের চোখে কানি, বুঁচি, খেদির সাথে আঁতেল শরীর লেপটে থাকা... কিম্বা কোথাও ছন্নছাড়া শর্তহারা লুটিয়ে থাকা... সেদিন যাব তেপান্তরে প্রেমের খোঁজে। ব্যক্তিপ্রেমের বাড়াবাড়ি থাক ততদিন তাকে উঠে। অমন প্রেমের চাইতে বরং খুঁজব কারণ কেমন করে ঘর করে ঐ ছোট্ট মেয়ে রোজ-সন্ধ্যের ঠোকনা খেয়ে... কেমন করে লেপটে থাকে কারণ-ছাড়া মাতাল বরের খুঁটি ধরে?! কেমন করে রাস্তা জুড়ে ছড়িয়ে থাকে বাচ্চা মেয়ে অপেক্ষাতে কবে কোথায় বিক্রি হবে?! কেমন করে সন্তানেদের মুখ তাকিয়ে প্রেম-ছাড়া প্রাণ ধুকপুকিয়ে শোয় বিছানায়?! কেমন করে ফুঁসলে নেওয়া অনেক মেয়ে রোজ সন্ধ্যায় আসর জমায়?! কেমন করে ঘর পালানো হাজার ছেলে পেটের টানে চক্ষু বুজে শরীর বিকোয়?! কেমন করে অনেক মানুষ বন্ধ-দমেই বেঁচে থাকে ধর্ম-নামে বিফল প্রেমের সত্যি টেনে?! এমনই সব প্রশ্ন থাকতে প্রেমের কলস না হয় আমার থাকুক খালি। না হয় আমার সঙ্গে থাকুক বন্ধু আমার। অমর প্রেমের পেটব্যথা নয় নাই বা জানি! 

Saturday, June 13, 2015

শূন্যতা

তোর শূন্যতা ছুঁয়ে গেল, শূন্যের মতই গভীর? কিছুটা তো তাই মনে হয়।
এখন সেই গভীরতায় বসে আমার কর্তব্য খুঁজে বেড়াচ্ছি ! হাসির কথা... শূন্যতায় বসে কোন কাজ হয় নাকি ! কিছু নেই-এ কিই বা করা যেতে পারে ? ধীরে ধীরে অক্ষমতার রিক্ততা জাল ছড়াচ্ছে শরীর জুড়ে...

আসলে হয়ত, তুই শূন্যতায় মিলিয়ে যাসনি। এক হয়ে দেখিসনি তার সাথে, কেবল ভেবেছিস তাকে অনুভব করার কথা।
মিথ্যে! তবু অনুভুতিকে তো মিথ্যে বলে ভুলিয়ে দেওয়া যায় না। তাই নিজের মধ্যে শূন্যতার অস্তিত্বের অহংকার তোর! আর সে অহংকারের একটা তীক্ষ্ণ টুকরো বিঁধে গেছে আমার মনেও!


মিলিয়ে গেলে, শূন্যতাকে ভয় পেতি না... মিলিয়ে গেলে, শুন্যতার অপার শান্তি আর অশান্তিকে একযোগে দেখতে পেতাম আমিও! শূন্য-ভাবে শূন্যকে অনুভব করা হত। আমি শূন্যতার ধারেকাছেও পৌঁছইনি। তুই...? তোর যা মনে হয়। 

Wednesday, September 24, 2014

কথা



ফোন বাজল
তোর ফোন। মানে ... হয় কোন বিশাল খুশির ছোট্ট একটা টুকরো...
কিংবা কোন অঘটন!!!
তুলে ফেললাম চট করে... যেমনটা সবসময় হয়।
তুলব ফোন...
দিগ্বজ মহিলার মত হুঁ... হুঁ... শব্দে শুনব।
তারপর রেখে দেব। কোনদিন দু-চারতি কথায় তোর মন ভাল  হবে। আর কোন কোন দিন, যেমনটি আজকে হল... তেমনটাই কোন কথা থাকবে না আমার!!!
জীবনে ঘটনা বেড়ে চলেছে রোজ
তবু

কথা ফুরিয়ে চলেছে আমার! 

Sunday, January 5, 2014

আলাদাদিন!



উষ্ণ গরম জলে আলতো হাতে ধুয়ে ফেললাম তোর ছোঁয়া
ভেজা গামছায় তোর না-থাকা অস্তিত্বকে দেখলাম খানিক
তারপর শীতের রোদে মেলে দিলাম তাকে তোর না-থাকা প্রেমের বাষ্প হবে ভেবে!

গামছা শুকোলে রাখব যথাস্থানে, লাগব দিনের কাজে
রাতে ফোন আসবে না তোর না-থাকা প্রয়োজনের।

বর্তমানের ব্যস্ত দিনের শেষে হয়ত মনে পড়বে তোকে যেমন আজ পড়ল হঠাৎ!
তখন খানিক কবিতা পড়ব আর উল্টোপাল্টা লিখব।
তারপর খানিক আমার ভাললাগা কাজ আর অকাজ শেষে ঘুম।

কাল হয়ত অন্যরকম হবে ... কালটি যেমন অন্যরকম ছিল।


Thursday, December 12, 2013

আমার কবিতা-প্রেম খানি যে সেই কবির প্রেমের মত!!!

তোর লন্ডভন্ড চুলে আমার হিংসা ছড়িয়ে পড়ে
আমি আঁকড়ে ধরি ওদের পাছে তোর ক্ষতি বা করে!
ওরা অভিমানের ঘোরে আরও হিংস্র তুফান তোলে
বাজ-পড়ানো বেগে সোজা ঝাঁপায় আমার কোলে!
আমি বোঝাই ওদের কত – “কেন করিস বোকার মত?!”
অভিমানের কারণখানা কোন সে কালে গত!!!
তখন হিংসে-অভিমানি আমায় সজোর আঘাত হানে
আর আমার যুদ্ধ চলতে থাকে আমার হিংসে-সনে!
আমার অনধিকার ঘরে তোর অধিকারের সুবাস
আমি তেপান্তরে বসে ঘ্রাণি তার আহ্লাদি শ্বাস...
আমি ভালোবাসি তোকে তোর ভালোবাসার মত
তবু মনের কোণায় জমতে থাকে হিংসে-বুড়ির ক্ষত!!!
তোর কাব্যময়ী চোখে আমি কবির প্রেমকে দেখি
যে পাগল-কবির প্রেমকে আমি রামধনুতে রাখি!
তোর অ-চেনা মন আমার সকল চিরচেনার বেশী
তবু বোকা আমার হিংসাগুলি ফোলায় মাংসপেশি!
তোর ঠোঁটের রেখার মতই আমার কোমল-পারা মন
তাই মাঝে-মধ্যে ভেজায় তাকে হিংসেমী-শ্রাবণ !

তাই...
তোর লন্ডভন্ড চুলে যখন হিংসে ছড়িয়ে পড়ে
আমি ঝাপটে সরাই ওদের যাতে তোর ক্ষতি না করে।
আমি ভালোবাসি তোকে তোর ভালোবাসার মত
আমার কবিতা-প্রেম খানি যে সেই কবির প্রেমের মত!!!