Tuesday, September 25, 2012

চুপ


আমি-খানা নিয়ে কথা হবে বলে/ হাজার-জনতা-লক্ষের ভিড়ে/ রোজ বেড়ে চলে কথা-বলাবলি/ কান-টানাটানি দর-কষাকষি/ আর গালাগালি।

তোমার অধীন হব নাকো আমি/ যতই বাড়ুক রোজ চুলোচুলি/ তোমার পকেট ভারী হলে পরে/ সে-কথা আলাদা পেতে দেওয়া যায়/ সব চুলগুলি

পকেট ফক্কা পরাণ অক্কা/ সব আমি-দের জনতার ভিড়ে/ দাউদাউ জ্বলে লোভের কিংবা/ খিদের আগুন আগুন সে হোক/ যেমন-তেমন জ্বালাবে সে সব/ হৃৎস্পন্দন

ধুকুপুকু বুকে হানাই-পানাই/ অমুকতা নাই তমুকতা নাই/ কত কতাকেতি শেষ হয়ে যায়/ ধুক্-পুক্-ধুক্ তবু পড়ে রয়/ নাই-নাই ভরা থাকার যুদ্ধে/ টুপটাপ করে কমে চলে লয়  

হঠাৎ কখনো যখন-তখন/ ধুকপুকুনির ছন্দপতন
শব্দমত্ত ছন্দবদ্ধ/ দুনিয়া তখন আমায় বলবে/ ... চুপ !!!



জন্ম


জন্মের কোন অর্থ খুঁজে পাওয়া হল না ...!
অথচ কেমন নিরন্তর গতিতে পা-এক পা আর-এক
এগিয়ে চলা জন্মকে পিছু ফেলে !
আমি আছি ... কারণ জন্ম হয়েছিল
তবু জন্মের কোন অর্থ বোঝা গেল না !
তাই থাকার কোন গল্প লেখা হল না...!
তবু আছি ...
কারণ জন্ম হয়েছিল! 

Saturday, September 15, 2012

হাপিশ !!!


স্মৃতির জন্মের পরে না আগে তা ঠিক জানা নেই। আজন্ম পেরিয়ে আসা অগণিত অর্থহীন দিনের কোন একটাকে পছন্দমত বেছে নিয়ে কে যেন কানের কাছে একঘেয়ে না-চেনা সুরে বলেছিল... “জীবনের ধন কিছুই যায় না ফেলা!

শব্দের গাম্ভীর্যে নাকি অচেনা সুরের কম্পাঙ্কে তাও অ-জানা ... স্নায়ুকোশের গা বেয়ে বেয়ে বয়ে চলেছিল ... “জীবনের ধন কিছুই যায় না ফেলা”...

কাজেই কড়া নির্দেশ... পথ চলতে যা কিছু জোটে কুড়িয়ে চলতে হবে...
ফুল... পাতা... গাছ...
সুর... শব্দ... ছন্দ...
ভাল হোক বা মন্দ...
কুড়িয়ে চলতে হবে...

চলার পথেই পার হয়ে চলে গুনতি-হারানো দিন...
এই বুঝি শেষ সেই ভয়ে ভয়ে বুক করে চিন চিন...
সময়ের সাথে যুদ্ধের তালে সময় পেরিয়ে যায়...
ব্যস্ত-এ-মন ভীষণ গতিতে জীবন-ধন কুড়ায়...

বেশ কাটে দিন। হঠাৎ সেদিন স্বপ্নে পড়ল হানা!
থুরথুরে-বুড়ো মাঝরাতে নাচ... অ-চেনা-অ-জানা!
খিনখিনে তার ঘ্যানঘ্যানে সুরে কান হল ঝালাপালা।                                         
 “কাঁদে আর বলে জীবনের ধন কিছুই যায় না ফেলা”
দুত্তোরি ছাই! এ কথা আমার কঅব্বে থেকে জানা!
কুড়িয়েছি সব... ফেলিনিকো এক দানা।

এই বলে আমি যেই পাশ ফিরি কান-কাছে ফিস ফিস
কুড়ুনি রে তোর জীবনটাই হাপিশ... !