এক চিলতে ঘর
What I see is different from what the Mirror says... !!!
সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
নীল
To embrace my darks!
Do I mean something to you?
He asks.
The words echo
and knocks on the doors
that I kept in the darkest of darks
Drumrolls go high and feast on my ears
I shut down my eyes to embrace my darks
Do I mean something to you?
He asks!
Wait, Love, and a Jesture
সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২
টিকটিকি
সোমবার, ২ মে, ২০২২
মৃত্যুব্যস্ত
এখন মৃত্যুর সময়, কাছের ও দুরের সমস্ত মানুষের মৃত্যুর সময়। তোমার, আমার, তাদের... সকলের মৃত্যুর সময়। মৃত্যু দুবছর আগেও সবসময়ই সম্ভাব্য ছিল, তবে এখন অনেক বেশী গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে। গতবছর আমরা রেলস্টেশন-এ মা-এর মৃতদেহের সাথে খেলতে থাকা... মৃত মা কে ডাকতে থাকা শিশুকে দেখেছি। ছুটিয়ে পোস্ট করেছি (অ)সামাজিক মাধ্যমে। কেন এমন হল? রাষ্ট্রের দোষ না আমাদের? ইত্যাদি নানারকম কথা। সে শিশু এখন কোথায়, আমি জানি না।
আপনি জানেন কিনা তাও জানি না।
আপনার বা আমার কার হাতেই খুব একটা সময় নেইএকে অপরের সাথে কথা বলার। একে অন্যের কথা শোনার তো একদমই সময় নেই। স্ক্রীন স্ক্রোল করার সময় অবশ্য আমি বের করে নিয়েছি ঠিক। ওপিনিয়নেটেড মানুষ আমি। কাজ সেরে ওইটুকু করবার জন্যে না হয় একটু রাত জেগে শরীরপাত করলাম।
রেললাইনে ও রেললাইনের ধারে ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পড়া দেহগুলির মরদেহ হয়ে যাওয়া শুনেছি, দেখেছি। আবার কথার পিঠে কথা ফেলে এক্কা দোক্কা খেলেছি। দোষ খোঁজাখুঁজি চলেছে বিস্তর। এসবের ফাঁক গলে মৃত্যু ধীরে ধীরে এগিয়ে এসেছে আমাদের সকলের কাছে। সংবাদমাধ্যম ও (অ)সামাজিক মাধ্যম থেকে গুটি গুটি পায়ে ঢুকে পড়েছে আমাদের কাছের বৃত্তে। প্রথমে খানিক কাছের খবর হয়ে, দূরভাষ বেয়ে। তারপর বছর ঘুরতে না ঘুরতেই একদম ঘরের মধ্যে। যমদূত যখন গালে হাত দিয়ে অপেক্ষা করছে ঠিক ঘরের দরজার সামনেই, ঠিক সেই সময়টুকুতে খানিক শব্দহীন হয়েছি আমরা। ওই খানিক ব্যস্ততা আপনার জনকে বাঁচাতে।
বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২২
কথা
সোমবার, ৭ মার্চ, ২০২২
একটি অ প্রেমের বা প্রেমের গল্প
মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১
ব্যবধান
সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১
মুক্তি
বুধবার, ১৯ মে, ২০২১
এলোমেলো
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০
নি-ছক একটা জীবন
বেঁচে থাকার অর্থ নয় নি-ছক একটা জীবন খুঁজছি। এলোপাথাড়ি হাতড়াচ্ছি ঘুম-জাগা-রাঁধা-খাওয়া আর অনেকখানি অফিস-অফিস খেলার ফাঁক দিয়ে। স্পষ্টত জানি যে এভাবে জীবন এর দেখা মেলে না, দিন কাটে খালি। দিন কাটানোর অভ্যেস ভেঙে দেয়ার মত কিন্তু কিছুই করছি না। শুধু দিনগুলির দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে গাল দিচ্ছি। কোন এক ফাঁকে বসছি খাতা-কলম নিয়ে ছবি আঁকব বলে। ছবি আঁকছি। লম্বা লম্বা সরলরেখার ছবি, যাদের কেউই নিপাট সরল আর হয়ে উঠছে না। সোজা রাস্তায় হাঁটবে বলে বেরিয়ে তারপর দোল খাচ্ছে। দোল খেতে খেতে হাঁ করে তাকিয়ে থাকছে বোকাবাক্সের দিকে। খেই হারিয়ে ভাবছে কি যেন ভাবছিল?! তারপর ভাবা শেষ হয়ে যাচ্ছে। একটা ছক-কাটা সাদা মেঝের চৌকো ঘরে ঘুরপাক খাচ্ছে একই বৃত্ত ধরে। তারপর দিন শেষ হয়ে যাচ্ছে। খাতা বন্ধ করে আমি প্রিমিয়াম ভরছি, ধুলো ঝাড়ছি, আসবাব কিনছি। একটা ছোট্ট হলুদ টেবিলের জন্য সেই কবে থেকে অপেক্ষা করে বসে আছি। সাদা-কালো-বাদামীর মধ্যে একটুখানি হলুদ। টেবিলটা চলে এলে আমি কদিন জীবন খুঁজব না। ছত্তিরিশশ মাইল দূরের অনর্থক গোলযোগ নিয়ে হয়ত মেতে উঠব হঠাৎ, বিন্দুমাত্র যুক্তিগ্রাহ্য কারণ ছাড়াই। নাওয়া খাওয়া করব কোনক্রমে, অফিস চলবে কারণ আজকাল ঘোর-এর মধ্যে অনেক রকম ভেজাল। তাছাড়া আমার কাজে অমুকের তমুকটা উদ্ধার হচ্ছেই। থামা যায় না। এ সবের ফাঁকে কবে যেন ভুলে যাব হলুদ টেবিলটার দিকে তাকাতে। টেবিলটার ওপর ধুলো জমে প্রায় বাদামি হয়ে যাবে। তারপর সম্বিৎ ফেরাবে পাশে পড়ে থাকা পাত্র। আবার হাত-পা-আত্মা কাচিয়ে নিয়ে হলুদ টেবিলটার ধুলো ঝাড়ব। দেখলাম টেবিলটা আছে, হলুদ কোথাও একটা হাঁটা দিয়েছে। অযত্নের বিরক্তিতেই হয়ত। তাই এবার আমি সদ্য গজানো স্নেকপ্ল্যান্টটা দিয়ে টেবিলটা ঢেকে দেব। তারপর আবার নি-ছক একটা জীবন খুঁজব, বেঁচে থাকার অর্থ নয়।
নীল
ছোটবেলায় যখন সাদা কাগজের ওপর আকাশের গায়ে রঙ দিতাম, সব সময় সেই রং নীল-ই হত! মাথার ওপর আকাশ, তাকে বেশির ভাগ নীল দেখতে পেতাম বলে হয়ত। তারপ...
-
Do I mean something to you? He asks. The words echo and knocks on the doors that I kept in the darkest...
-
চরিত্ররা ঘোরাফেরা করে জীবনের গা বেয়ে । কেউ মন ছুঁয়ে যায় ... আর কেউ কেউ শরীর ! জীবন ব্যস্ত থাকে চরিত্রদের নিয়ে জট পাকাতে । যে মন...