রবিবার, ২৫ মার্চ, ২০১৮

সুযোগ


কবরের নিকষ কালোর হাত ধরে হাসান মিঞাঁ চলেছে আরও অন্ধকার এর দিকে।
চুল্লির ধূসর ধোঁয়ায় মনোহর গা ভাসিয়েছে শেষহীন নীল এ।
শিরিন এর শেষটুকু ডানা মেলেছে বুড়োশকুন এর কোষে -  মিলিয়ে যাবে সে মেটে রঙ-এ।

হাসান - মনোহর - শিরিন এর শেষকাজ সেরে ঘাটকোপর স্টেশন-এর টিকে থাকা বুড়োবটতলে বিড়ি টানতে টানতে এমনই সব নানা রঙ এর বিশ্বাস এর ভাষাহীন গল্পে মশগুল পড়ে থাকা জিন এর টুকরো রা।  

জীবনকে আষ্টেপৃষ্ঠে আঁকড়ে ধরে আমরাও যেমন মেতে থাকি মুক্তির রঙ বোঝার বোঝা বওয়ায়...

তাবিজ-কবজ-মাদুলি বা ঈশ্বর এর থাকা না থাকার প্রশ্ন 
সেইসাথেই থাকে নতুন ফ্ল্যাট-এর রঙ এর চয়ন অথবা কাল কতটা মাটি কাটলে খাবার জুটবে - এ সব এর হিসেব। 

আর একটু সুন্দর জীবন, আরও একটু মুক্তির স্বাদ এর এলোপাথাড়ি গল্পের সুতো গুটিয়ে আসে এক প্রস্থ বিরাম কিংবা পরের ব্যস্ততার তাড়ায়। 

জীবন অপেক্ষায় থাকে। 
অপেক্ষায় থাকে মৃত্যু। 








কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নীল

ছোটবেলায় যখন সাদা কাগজের ওপর আকাশের গায়ে রঙ দিতাম, সব সময় সেই রং নীল-ই হত! মাথার ওপর আকাশ, তাকে বেশির ভাগ নীল দেখতে পেতাম বলে হয়ত। তারপ...